সাম্প্রতিক

কথাচুপকথা… / শিমুল সালাহ্উদ্দিন

P 2বইমেলা ২০১৪ তে বের হবে শিমুল সালাহ্উদ্দিন এর কাব্যগ্রন্থ ‘কথাচুপকথা…’ । ঐ বই থেকে কয়েকটি কবিতা এবং গ্রন্থনিয়ে কবির কিছু কথা আমরা রাশপ্রিন্টের পাঠকদের জন্য তুলে-দিচ্ছি…

প্রসঙ্গ:কথাচুপকথা…

কবিতা- সেতো নিজের নিয়মেই বয়ে ছুটে চলেছে অমূল্য সন্ধানে, আমার রক্তের গভীর  থেকে মহাজগতের অপার অনন্তলোকে, একই মুহূর্তে সে ভ্রমণ করছে হাজারো স্থানাঙ্কে, অথচ কি নিদারুণ একা সে, বন্দনা ও ঈশ্বরেরই মতো। আমি পাঠকের কথা না ভেবেই লিখি, কারণ সহস্রবছর আগে আমিই আবিষ্কার করেছি কবিতাযাপন এমন এক অলৌকিক আনন্দ, যা বেদনার বিমূর্ত গোপন পথ পাড়ি দিয়ে আসে।

কথাচুপকথা…আমার এ তৃতীয় কাব্যগ্রন্থে আমি যোগাযোগের যে আদিমতম মাধ্যম শব্দ ও নীরবতা, তাদের এক অনন্ত বিস্তীর্ণ মালা গেঁথেছি, ছন্দহাড়ের গাড়িতে তাকে চড়িয়ে কিছুটা সময় সেই স্তব্ধতাসঙ্গীতে বুঁদ হয়ে থাকার মুহূর্তগুলোকে বিন্যস্ত করেছি শাদালাশ ক্যানভাসের বুকে, সাথে ছিলো আমার একান্ত গোপন, প্রকাশ্য যাপন এবং বিবিধ দ্বিবিধতা।

ব্যক্তি আমার সাথে জগতের সঙ্গম সম্পর্কের বয়ান তাই আমার এ কাব্যগ্রন্থ। আমাকে  যে কথা বলে আমি নিজে বোঝাই, পাশ্ববর্তী অস্তিত্বকে তা তো হুবহু বোঝাতে পারি না। আমাকে যা বলতে পারি আমি, তোমাকে তার পুরোটা বোঝাতে না পারার অক্ষমতা নিয়েও অথচ আমরা পরিণত হতে থাকি। বিকশিত হতে থাকি সময়কে হঠাৎ বিমূঢ় করে দিয়ে। এক নিষ্ঠুর সাড়াবিন্দুতে এসে হাজারো আমিরা এভাবে একদিন আমরা হয়ে উঠি। প্রকাশ আর গোপনের মধ্যে গড়ে ওঠে পারাপারসেতু। কথার ও চুপের।

দুইপর্বে বিভক্ত আমার কথাচুপকথা…য়, শীতপর্ব ও উষ্ণতাপর্বে,  প্রকাশের গোপনতা ও  গোপনের প্রকাশ্য স্বর নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছি আমি নিজের সাথেই এক দ্বন্দ্বযুদ্ধে। এই কাব্যগ্রন্থের ভেতর দিয়ে যেতে যেতে পাঠক কবি শিমুল সালাহ্উদ্দিনের সাথে কথা বলতে বলতে টের পাবে তাঁর লোমহর্ষক গোপনতা তৈরির কারখানার অস্তিত্ব, দৈনন্দিনতার নানা মাঠ-প্রান্তর, শহরগ্রাম ঘুরে ঘুরে দেখার এক ব্যক্তিগত কৌশলকে আবিষ্কার করলেও করতে পারেন। প্রাণের নিদাঘ আকুলতা,  বস্তু হতে অবস্তু যাপন, দৃশ্যের ভেতর বাইরে আমার কবিতা সঙ্গ চায়। কেন? কথা তো শুধুমাত্র কথা নয়, কথার মাঝখানের ফাঁকটা চুপ থাকাও বটে। ব্যক্ত কথার ফল অনেক সময় অব্যক্ত কথারও অর্থ ফলায়। প্রস্তুত পাঠকের কাছে, এই কাব্যগ্রন্থ সেই চ্যালেঞ্জই ছুড়ে দিচ্ছে নিঃসংকোচে…

কথাচুপকথার…’র কবিতাP ৭

বাঙ্ময় অবয়ব

আমাকে জড়িয়ে রাখে মৃতের নিঃশ্বাস, তোমার জীবন্ত হেমরঙা লাশ আর আশপাশে, যারা যারা জড়িয়ে রেখেছে, কিংবা ছিলো কোনকালে কেনো যে তারাই হাঁটছে আলোতে দীপ্যমান! ভ্রম ও ভাবনার দীর্ঘ ওপারে তাঁরা, আঁধারে আড়ালে খেলে তাস অথচ অন্ধকারের আগে শেষ কালো মেঘে দেখেছি তৃষ্ণা মেঘসংকেত

অমীমাংসিত সে অন্বেষণে পৃথিবীর করুণা ও কৃপা চায় জন্মান্ধ দু  চোখ; প্রস্তরভাঙা সবুজ কালো তর্ক ও মদিরা ছাপিয়ে, ছাপিয়ে স্টেশনের চা-ঘ্রাণ নিয়তিকে বলে যায় বহুদূর সমুদ্রপাড়ের হাওয়া, ‘বলো আছি হে অশোক- নিজস্ব ক্যানভাসে দ্যাখো আপন অস্তিত্ব আঁকে মাটিপৃথিবীর উজান ভাটির টান’…

যেই দেশে যে শহরে ফেরারী আসামী আমি, সেই দেশে মৃতের নিঃশ্বাস ছাড়া, শীতমাত্রঋতুছাড়া, তোমার হেমবর্ণ লাশ ও সালঙ্কারা শীৎকার, প্রসববেদনা ছাড়া, জেনো আর কোন বাস্তবতা exist করে না…

বিস্ময়

যখন দক্ষিণমুখে যায় আমার একার নদী, স্রোত ও বহমানতা তুমি তখন দু’ডানায় ভর করে উড়াল দিয়েছো উত্তরদিকের আকাশে ও অন্ধকারে। ভেতরে অনেক ভাঙচুরের বিবরণ নিয়ে জ্যোৎস্নার ম্লান আলোয় কদম গাছের আড়াল থেকে যে চাঁদ ওঠে আমার ছুটে গিয়ে তাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করে। কিন্তু লজ্জ্বা ও লানতের অবশ-শরীর নিয়ে, বুকে ও শোণিতে অনেক খামচির দাগ নিয়ে ভিজে ওঠা গ-দেশ নিয়ে, এক অস্তিত্বভর্তি স্থবিরতা নিয়ে, আলুথালু ঠ্যাঙ ও পিচ্ছিলতা নিয়ে, কেবলি গোলাপবাগানের নিস্তব্ধতা ও আদরের কথা মনে পড়ে…

নদীর জল তখন স্থির, শান্ত। দিগ¦লয়ে হস্তীযুথের মতো চলে যাচ্ছে মেঘখ-। দূর কাশবনে বাতাসের লীলা…

আমি যে বাঁচবো না, এমন ধারণা অনেকেরই ছিলো।

P 1শীতে, সুপর্ণাকে

শীতকাল এসেছে সুপর্ণা, বুকের ভেতরে এসো
চিরউষ্ণতা ও ছদ্ম-অমরতাসহ অপেক্ষাতুর হৃদয়
পেশল আবরণদেহে সে ঝেটিয়ে তাড়াবে যাবতীয় মরা ঘাসও
মায়াখনিজের লোভে সরে যাবে ঠিক ঠাণ্ডা যত অসময়
.                        তুমি একা চুপে, বুকের ভেতরে এসো…

জোর করে ঢুকিয়ে দেয়া ব্যাঙের রক্ত নয়,
.                        সুপর্ণা এখন দেহে জাগরপ্রতিভার জলকেলি
মানুষের মানবিক রক্তমাংসশ্বাসে এই আহ্বান
জানি পলকেই তাকিয়ে বুঝেছো হাজারজীবনের চোরাচোখ ইশারা ও বুলি
বালুঘড়িদের যত ইতিহাস রবে না এমনকি ধুলিপরিমাণ
.                                    উড্ডীন ঢেউ হয়ে, সাড়া দিলে তুমি
শীতের পেলব অন্ধকারে, উৎকর্ণ রাতের ঘুম কেড়ে নিয়ে
সমস্ত জগৎ মহাকাল, শীতমাত্ররাত, ঘুমহারা বোকা আমাদের সাথে জেগে রবে
সুপর্ণা তুমি ও একা আমি, শীত ও ভাস্করের স্মৃতি লুটে ও ছিনিয়ে
দুজনে করবো শুরু একটা মরণ শীতের ভোর দেহিপদপল্লবমুদাররমে
.                        শীতকাল এসেছে সুপর্ণা, লেপের তলায় মরণ ও ওম …

কবির পৃথিবী জুড়ে শীতকাল এসেছে সুপর্ণা
.                        লেপের আদর ওমে মায়াখনিজ তুলে আনবার দিনÑ

এসো সুপর্ণা, তোমার জন্য অপেক্ষা করছে উষ্ণ কাঁথার কবর…

কথাচুপকথা…
১.
জেনেছি কথার চেয়ে নীরবতা দ্বিগুণ তোমাতে বিঁধে

এ-ফোঁড় ও-ফোঁড় করে চোখজলে বয়ে আনে বেহাগ তোমার
টলটলছলছল জল নিয়ে বার্তা অশরীরী আসে গুপ্ত বিষাদ গীতে
জাগতিক অনুরাগ ঝেড়ে ফেলে হালকা কুশলাদি জানতে চাওয়ার
মেঘ সরে গেলে, কোনদিকে ধায় শরীর তোমার!

কোনদিকে কেবলি অস্ফূট গোঙানি ও চুপ করে থাকা?

২.
কাজলের কতখানি ঠিক চোখের তোমার? কতটুকু কেনা?

পৃথিবীর অস্তিত্ত্বমান সকল ভ্রমণ শেষ হয়ে গেলে পরে, এমনকি নারীভ্রমণ-ও, এই প্রশ্ন মনে পড়ে।

বিলুপ্ত সকল ভাষাবিবেচনা এইভাবে খেলা করে কৌতুহলেÑ  যেনো এক অবাক জানকী লক্ষীটেঁরা চোখজোড়া নিয়ে বহুদূর খননের পর বুঝে নিয়ে কবির সকল খাঁদ ও সৃজনের গাঁদফাঁদ জানতে চায়Ñ

কতমৃত্যুদূরে কথার সাগর?

৩.
তোমার তীর্যক তাকানো ও ভ্রু-ভঙিমা আমাকে দিয়ে লিখিয়ে নেয় একটা বিস্তীর্ণ জীবন, নীরবতার অপর পাড়ে যার বসবাস ও বসবাসহীনতা। সেইখানে গভীরতাই নীরবতার নাম। সেইখানে তুমি আমি একাকার ও বিলীন- মূক ও বধিরতায়- সেই জগতের বাইরে আকাশ একই রকম নীল, সেইখানে তোমার তীর্যক তাকানো ও ভ্রু-ভঙ্গিমা কান্নার কাহারবাকে কথার চুপ কবরে…

মানুষ

মানুষ মানেই মায়া থাকবে
রোদের ভেতর হাঁটতে গেলে
দেহের পাশে ছায়া থাকবে
জীবন জুড়ে ভুল থাকবে
ভুলের ওপার ফুল থাকবে
উন্মাদনার, শস্য তোলার
ভালোবাসার ছন্দ থাকবে
মনের ভেতর মন্দ থাকবে

মানুষ মানেই জীবন জুড়ে
মনে রাখার ভুলে থাকার
দ্বন্দ্ব থাকবে

মানুষ মানেই
মানের সাথে হুশ থাকবে
হারতে হারতে জিতে যাবার অগ্নিকুণ্ডে
ভীষণ রঙিন তুষ থাকবে
রাত্রি নামলে একাকীত্বের জ্বালা থাকবে
একলা থাকার ভয় ডিঙানো কোলাহলের
মালা থাকবে,

বন্ধু থাকবে,
শত্রু থাকবে

বুকের ভেতর বৃষ্টি থাকবে ঝড় থাকবে
শীত থাকবে, গ্রীষ্ম থাকবে
দুমম করেই গুম হবার ভয় থাকবে

মানুষ মানেই মায়া থাকবে
দু’চোখ ভর্তি কি নিদারুণ মায়া থাকবে
একগুয়েমী চাওয়া থাকবে
ভুল সুরে গান গাওয়া থাকবে
মানুষ মানেই মান অপমান
ক্যানভাসজুড়ে খুব অভিমান
আঁকা থাকবে
অপেক্ষাতুর দৃষ্টি থাকবে পথের দিকে
মানুষ মানেই গোলকধাঁধা
পথ হারাবে যত্রতত্র
মানুষ মানেই খুব সহজে রাজসত্র
ফেলে দিয়ে সুখসংসার কুড়েঘরে
কাব্যি করার রোগ থাকবে
মানুষ মানেই ব্যথার জ্বালা অঙ্গজুড়ে
মানুষ মানেই অমানুষের ভীড়ের ভেতর
একা লাগবে, ভীষণরকম একা লাগবে

মানুষ মানেই ভালোবাসবে, খুব নীরবে একা
একা আকাশ দেখবে…

বন্ধুতা

আমি ও শিমুল,
শিমুল ও আমি
আমরা চারজন
একটি সিগারেট
ভাগাভাগি করে খাই…

চারফালি হওয়া দুটি চাঁদ
দুপুর শহরে
আমাদের কাঁধে নেমে আসে…

আমরা বুকের ভেতরে
শিহরণ নিয়ে পেটের ভাত
আর ভাইবোনের শিক্ষাখরচ যোগাতে
নেমে পড়ি….

দুপুরেই,
শহরে রাত্রি নামে…

মৃত্যুর দিনরাত্রি

রাক্ষস নগরে যে ছেলেটা কাজ করে আর তার পাঠানো টাকার অপেক্ষায় বসে থাকে সাতটি পেটের পরিবার, প্রতিরাতে তার ঘুম ভাঙে হলুদ শর্ষের ক্ষেতে ধর্ষিত মৃন্ময়ীর জ্বলজ্বলে শাড়ির আঁচল, রক্তাক্ত বুকের পাঁজর দেখে দেখে…

পিশাচ সময় তাকে ভেঙে দেয় প্রতিভোরে বাইরে ভেতরে, বিশ্বাসের যে স্থিতিকে  সে আঁকড়ে ধরে টেনে নিয়ে যেতে চায় সাতঘোড়ায় উল্টোদিক থেকে টানা রথ, যার কলকব্জায় আছে এক জটিল, বহুমাত্রিক টানাপোড়েন, নিজের সঙ্গে নিজের নিরন্তর দ্বন্দ্ব, প্রতিসন্ধ্যায় ব্রেকিং নিউজে নিউজে টলে পড়ে তার স্থিতি–

গিমিক ও তস্করবৃত্তির সুফলা মৃত্তিকায় আজ চন্দ্রিত ইস্পাতের কড়া আঁচ। আগুনে  পোড়া ভাই আমার, নিরপরাধ বোন আমার, কার কাছে যাবো!

ধূসর সময়

জলসেঁচে এখনো এলে না শব্দহীনতার পথে!

আমাদের ঈশ্বর হস্তান্তর বিষয়ক আলাপ যে বাকী ছিলো
মনে আছে!
চিতাকাহিনীর পিছু ধাওয়া করে কতদূর যাবে সোনামনি?
কতদূর বিলগ্নকরণী?

পথের ভিখারিনীকে দেখে আজো
নৃত্যরতার কথা মনে পড়ে,
বডিবিল্ডার দেখে সুরসুন্দরী।
মন্দিরগাত্রের মৃদঙ্গবাদিনীকে
নামিয়ে এনে নিজের শোবার ঘরে
ইচ্ছে করে ভাঙানাক ও ঠোঁটের অংশ জুড়ে দিই

বয়স তো বাড়েনি আমার!

জলসেঁচে তবু কেন এলে না কথারাণী তুমি
শব্দহীনতার পথে? ধূসর সময়  খেয়েছে তোমাকে নির্বিবেক?
নাকি এতো এতো বছর ধরে আমার নীরব ধ্বংসানুক্রম
তোমাকে করেছে অন্ধ!

পথ ভুলে গেছো তুমি!

প্রেমিকের কাছে যাও দিদিমনি, যেহেতু লালায় তাঁর রয়েছে মহৌষধ আর  প্রেমিকের জন্মের  শেষ নেই কোনো…

P 1কথাচুপকথা প্রচ্ছদ: রফিকুন নবী, বুক ডিজাইন: সব্যসাচী হাজরা,  বিনিময় মূল্য: ১৫০ টাকা, প্রকাশক: সৈয়দ জাকির, হোসেন, অ্যাডর্ন পাবলিকেশন্স

P 6

Comments

comments

শিমুল সালাহ্উদ্দিন

শিমুল সালাহ্উদ্দিন

মূলত কবি । ভক্ষণ, প্রক্ষালন, আপন প্রতিপালনের মতো প্রাত্যহিক প্রয়োজন মেটানোর জন্য বিভিন্ন সময় নিয়েছেন সাংবাদিক, সংগঠক, আবৃত্তিশিল্পী, প্রশিক্ষক, তথ্যচিত্র নির্মাতার ভূমিকা । কবিতার প্রকাশ্য ময়দানে এই কবির আবির্ভার ২০১০ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলায় প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘শিরস্ত্রাণগুলি’র মধ্য দিয়ে । বইটি প্রকাশ করেছিল ঐতিহ্য । তার পদ্মায় গড়িয়েছে বছর চারেকের জল। জীবনের বিচিত্রসব অভিজ্ঞতায় পরিণত আর সংহত হয়েছেন কবি । ২০১২ তে শুদ্ধস্বর প্রকাশিত ‘সতীনের মোচড়’ এর পর কবির তৃতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘কথাচুপকথা...’ । জন্ম ১৭ অক্টোবর ১৯৮৪, ঢাকা জেলার উত্তরা থানার তুরাগ সাবথানাধীন, হরিরামপুর ইউনিয়নের ধউর গ্রামের মাতুলালয়ে । মা সেতারা বেগম, বাবা মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যবিজ্ঞান বিভাগ থেকে সম্মান ও স্নাতকোত্তরের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যায়ন বিভাগ থেকে আরেকটি স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ করেছেন প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যার্জন । সাংগঠনিক চর্চায় ব্রতী বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শুরু থেকেই । বিভিন্ন মেয়াদে নেতৃত্ব দিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট ও আবৃত্তি সংগঠন ‘ধ্বনি’র । কবিতার পাশাপাশি মূলধারার সংস্কৃতিসহ বিচিত্র বিষয়ে লেখালেখি করেন । দীর্ঘসময় কাজ করেছেন একটি জাতীয় দৈনিকের ফিচার সম্পাদক হিসেবে । সম্প্রচার সাংবাদিক হিসেবে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনে কাজ করছেন বছর তিনেক ধরে । ভালোবেসে ঘর বেঁধেছেন সাংবাদিক সানজিদা ইসলাম পদ্মা’র সাথে । বিধ্বস্ত অসুথী পৃথিবীকে কবিতার প্রলেপ লাগিয়ে সুস্থ করে তুলতে চান কবি ।

লেখকের অন্যান্য পোস্ট

Tags: , , , , , , , , ,

লেখকের অন্যান্য পোস্ট :

সাম্প্রতিক পোষ্ট

লেখকসূচি