সাম্প্রতিক

সেজুল হোসেন এর ‘ও জীবন ও মায়া’ এখন বইমেলায় পাওয়া যাচ্ছে

সুবর্ণ বাগচী : স্মৃতিমেঘ স্বপ্নজলরেখা  প্রকাশ হয়েছিল ২০১৩ তে। ছিল ছোট শহর ছেড়ে বড় শহরে আসার কষ্ট। ও জীবন ও মায়া সেই বইয়েরই ধারাবাহিকতা আছে নগরে থেকেও নাগরিক হতে না পারার যন্ত্রণা।

লেখক সেজুল হোসেন বলেন স্বতঃস্ফুর্ত হয়ে কেউ বই কিনলে ভালো। না কিনলেও ভালো। আমি চাই বই কেনায় যেমন স্বতঃস্ফুর্ততা থাকুক, না কেনায়ও থাকুক সেই স্বতঃস্ফুর্ততা।

বইমেলা নিয়ে তিনি বলেন, ‘মনে হলো বাংলা একাডেমি দায় সারছে। যেন তার ঘাড়ে একাটা দায় ছিল বইমলো আয়োজনের। প্রাণ নেই। ৮ টা বাজার আগে ঝাঁপ বন্ধ করার তাড়া। তখনতো সন্ধ্যা হয়। শাহবাগ এর মতো জায়গায় রাত ৮ টায় বইমেলা বন্ধ করে দেয়া বেমানান। নিরাপত্তার অজুহাত ক্লিশে অজুহাত। পরিসর বড়। ফলে অনেক সময় নিয়ে বইমেলায় স্টলে ঘুরতে হয় সেই সময়তো নেই। যেটুকু সময় বরাদ্ধ বইমেলার জন্য একপাশ ঘুরলে অন্যপাশে যাওয়া যায় না।

আর জগণ্য রকম ‘পাঠক ভিক্ষা’ চলে এ্ই বইমেলা এলে। বিশেষ করে আমাদের সমসাময়িকদের মধ্যে। ফেসবুকে, মোবাইল মেসেজে। লেখক হিসেবে পাঠককে তার বইয়ের খোঁজ দেয়াটা দোষের কিছু না। বরং পাঠক এতে উপকৃত হয়। যেহেতু তথ্যকন্দ্রে গিয়ে কেউ বইয়ের খোঁজ করে না। সব লেখক বইয়ের বিজ্ঞাপনও দিতে পারেন না। বই বের হলে মাইকিংও হয় না পাড়ায় পাড়ায়। তাই লেখকরা নিজ উদ্যোগে ফেসুবকে বা সামাজিক সাইটে প্রচ্ছদটা শেয়ার করলে বা বইয়ের নাম ও প্রাপ্তিস্থানটা টুকে রাখলে সেটা মন্দ নয়, বরং উপকারী, কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়্। বইয়ের আগমনী বার্তা দিতে গিয়ে বা প্রকাশের খবর দিতে গিয়ে সেটা রীতিমতো ‘পাঠক ভিক্ষা’য় পরিণত হয়েছে। আমি মেনে করি টেক্সট যদি পাঠযোগ্য হয় তাহলে তার সুগন্ধ পাঠককে স্টলের দিকে নিয়ে যাবেই। ভিক্ষা করতে হবে না ‘

বইটি পাওয়া যাচ্ছে ১৫৬ নাম্বার চৈতন্য স্টলে।

ও জীবন ও মায়া

Comments

comments

সুবর্ণ বাগচী

সুবর্ণ বাগচী

রাশপ্রিন্ট কন্ট্রিবিউটর

লেখকের অন্যান্য পোস্ট

Tags: 

লেখকের অন্যান্য পোস্ট :

সাম্প্রতিক পোষ্ট

লেখকসূচি