সাম্প্রতিক

পাণ্ডুলিপি থেকে । রায়হান রাইন

নিক্রোপলিসের রাত-  অংশ

১. বেকারির রাত

 

এই যে অক্ষরগুলি, ভাঙা পঙক্তিতে
এখানে লিখছি, এরা
একেকটি কালো চোখ;
এই কালো একটি রাতের।

হয়তো অক্ষরগুলি উড়ে যাবে,
দেখব রাতের গায়ে মাছি হয়ে
উড়ছে কিছু অপলক চোখ,
দেখব, তারা এই পৃষ্ঠা থেকে
নেমে যাচ্ছে একসারি কালো পিঁপড়া হয়ে,
এ রাতের চোখের কিনার দিয়ে বেঁকে,
হেঁটে যাচ্ছে
রাতের মাংসের দিকে;
পড়ে আছে ফাঁকা পৃষ্ঠাগুলি,
সাদা
নিঃশব্দের জমে ওঠা বরফের মতো।

বাস্তবতা ভিজে উঠছে রক্তে,
সত্য তার গা থেকে খুলে ফেলেছে পোশাক,
খুলে ফেলেছে চামড়া; অস্তি-মজ্জা, রক্ত ও মাংস খুলে ফেলে
নগ্ন এখন সে,
ঘেমে উঠছ তুমি, হে নারদ,
মন্থনে মন্থনে ভেসে উঠছে বিষের ফেনা,
যুক্তি-তর্ক বাদ-বিসম্বাদ, জল্প আর সপ্তভঙ্গি ন্যায়
ভেসে যাচ্ছে জলস্রোতে যেন হায়াসিন্থ। 

রাতের ঢাকনা খুলে
পাত্রটাকে যেন কেউ দিয়েছে উপুড় করে ঢেলে,
গড়িয়ে যাচ্ছে ঋতু, দিন আর মাস, কালচক্র,
ভেসে যাচ্ছে বাক্য-ভাষা-কথা,
জলের নিকষে ভাসছে আকাশের তারা;
একরাশ ডুবে যাওয়া, আধ-ডোবা সত্য
আর অর্ধ-সত্য
ভেসে যাচ্ছে রাত্রির ঢলে।
হাহাকার ধ্বনিগুলো কুয়াশার দুড়মানো আর পাক খেতে থাকা
অলক্ষিত চোখে দেখছে চেয়ে,
তারা জীর্ণ দেয়ালের ফাঁদে
আটকা পড়া একবুক কান্নার মতো
ক্রমশ ঘুমিয়ে পড়বে।

এই রাত, নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকা মাইল ফলক
যার গায়ে কোনো সংখ্যা নেই,
আছে শুধু যা যা সে পেরিয়ে এসেছে
আর যা যা পার হয়ে যাবে
তারই ঝাপসা চিহ্ন, আর আঁকিবুকি।
আমরা দূরত্ব মাপছি এ রাতের,
চলো, হে ফকির!
কোথাও এগোনো যাক, আরও কিছুদূর।

 

২. টানেল


খেলা হবে ধূসর অঞ্চল জুড়ে— ধূসর সীমান্তে,
আমাদের মাঝের এবং চারদিকের
সমস্ত সীমান্ত আমরা ঘসে ঘসে মুছে ফেলব,
সবকিছু থাকবে দূরে দূরে—
সেনাদল, দুর্গ, দৌত্যবিদ্যা;
আমাদের সাহসের পশ্চিম সীমান্তে থাকবে ট্রেঞ্চ,
নগরীর রাস্তায় ঘুরবে কিছু অবিশ্বাস
যেন গুপ্তচর ঘুরছে মিশন নিয়ে,
ঘৃণাগুলো ছুটছে যেন ডেল্টাফোর্স,
যেন লুসিফার,
ট্রাই-এসেটন-ট্রাইপার-অক্সাইড কথা বলছে
যেন এক প্রেমিক তরুণ, প্রশান্ত যুবক,
কথা বলছে প্রেমিকার সাথে;
উপরে মৌসুমী মেঘে ভিজে ভিজে উড়বে বিমান
মাইনফিল্ড কেঁপে উঠবে শিহরণে,
কোথাও উদ্ধার দল সাবধানে
শেল ছুঁড়ে ছুঁড়ে,
ট্রেঞ্চের সর্পিল রেখা ধরে,
কামানের শব্দ গুণে গুণে
এগোবে যুদ্ধের দিকে— গহীন জটিল দিকে দিকে;
বন্দুকের গুলি গিয়ে লাগবে যেখানে— যতদূরে
সেখানেই হবে ভোর,
সেটাই আগামীকাল, শুরু পুনরায়।

ধীরে বইছে অধীর বাতাস,
রাতের একটি পৃষ্ঠা উল্টে গেল হঠাৎ হাওয়ায়,
একটি পৃষ্ঠা থেকে গেল ফাঁকা— অন্ধকার
সেখানে বাতাস কালো, কালো চাঁদ, আর কালো বন
নিকষ অনন্ত রাত, তারাদের গ্রাম,
এ রাতের মৃত্যুগুলো কেউ কি লিখেছে?
নাকি লেখা নয়,
এ হলো বিস্মৃতি, মুছে যাওয়া দাগ।

 

৩. চক্রব্যূহ

পান করো, গলাটা ভেজাও
পান করো সুগন্ধ,
পান করো এ রাতের পাত্র থেকে,
পান করো অন্ধকার;
ওঠো ঘুম থেকে, জাগো আর
পান করো এই রাত—
ধুতুরার রস।

চতুর শেয়াল
কাহিনির বন থেকে বেরিয়ে পড়েছে,
জোছনায় ধোয়া মাঠ পার হয়ে গেছে সে ভোরের দিকে হেঁটে,
এবং যেখানে আছে শারনের গোলাপ বাগান,
এবং যেখানে ফোটে মিষ্টি লিলিফুল।
আহা সুলেমান,
যে তুমি পয়গম্বর ডাইনীর বাহুডোরে শুয়ে
শুনেছ আওয়াজ অপার্থিব,
কোথাও রোদের গন্ধে বুঁদ হয়ে একটি বিকাল
মজেছে নিজেরই মদে, আর থোকা থোকা
ফুটেছে গোলাপ ফুল, শারনের গোলাপ।

এই রাত এক অভিমন্যু
ঢুকতে জানে চক্রব্যূহে, জানে না বেরুতে,
তাই যুদ্ধ করে একা একা
আর মরে যায়।

 

৪. নিহিতার্থের বাগান


এ বাগানে একটি গোলাপ কিংবা একটি আপেল
গণিতের শূন্য কিংবা এক হয়ে লিখতে থাকে
একেকটি অসীম;
আমরা এই বাগানের পাশে বসে আছি,
থেকে থেকে অসীমের নদীর বাতাস
এসে লাগছে গায়ে।

বাঘ আসে আপেলের বনে
তার চোখ, দুর্বোধ্য বাক্যের
মর্মার্থের বরফকুচি দিয়ে গড়া,
সেই চোখের দেখা দিয়ে সৃষ্টি হচ্ছে এই বন—
সমস্ত প্রতীক,
তাদের ধাবমানতা— চিত্রা কিংবা মায়াহরিণের;
কেউ এসে যখন গর্জনগুলি কপি-পেস্ট করে
অবিকল একই হুঙ্কার শোনা যায় অন্য উপবনে;
বাগানে একলা বাঘ, বাঘের ব্যাঘ্রত্ব
একেকটি বিষাদভরা গর্জনের অদৃশ্য তাঁবুর নিচে
ক্লান্ত শুয়ে থাকে।

তিনটি ঘোড়া ঘাস খাচ্ছে মাঠে,
তিনটি দুর্বোধ্য লাল ঘোড়া
ঝিরঝির বৃষ্টির ভেতর;
আর আমরা বসে আছি নদীর কিনারে।
কেউ যেন স্বপ্ন দেখছে কোথাও ঘুমের মধ্যে, আর
এখানে মাঠের ঘাসে জন্ম হচ্ছে এসব ঘোড়ার।
কিংবা হয়তো কোথাও আছে আপেলের বন,
তারা বেঁচে ছিল
সেখানে আপেল খেয়ে খেয়ে;
কিন্তু মনে বাসা বেঁধে ছিল কেবলই ঘাসের লোভ;
হয়তো ফকির জানে সব,
পুড়েছে সে জ্ঞানের আগুনে।

চলো, এই নদীটা পেরিয়ে যাই,
ঐ পারে যাই;
এসব ঘোড়ার গ্রন্থি, বাক্যসন্ধি থেকে দূরে—
যেখানে অব্যক্ত ঘাস, পাতাঝরা গাছ,
যেখানে আপেলগুলি কেবলই আপেল।

 

৫. ডেথ এন্টারপ্রাইজ


একটি রাতকে তারা লুঠ করে এনে
পুঁতে দেয় আমাদের মাংসের ভেতর;
এই রাত ফাল্লুজা শহরে ছিল,
এই রাত মানজিব শহরে ছিল
কোনো এক শুক্রবারের,
ছিল রাকা, পালমিরায়
কোনো এক শুক্রবারের,
ছিল আলেপ্পোতে;
একে খুলে আনা হয়েছে অতীত থেকে
যা শুধু একটি রাত হয়ে ছিল কোনো বছরের,
পঞ্চদশ শতাব্দীর এই রাত
ছিল এক নিষ্ঠুর ভাইকিং,
কোনো এক তাতার দস্যুর চোখে জন্মেছিল
এক শুক্রবারে,
তারা একে লুঠ করে এনে
পুঁতে দেয় আমাদের মাংসের ভেতর।

৬. চরৈবেতি

সুতরাং চলো, আমরা এগিয়ে যাই,
হাওয়া হয়ে যাই আজ রাতে;
কোথাও নিখোঁজ হয়ে যাই
এই সন্ধ্যাবেলা,
আমাদের পথটাকে আর এই গোধূলিকে
গুটিয়ে নিজের দেহে
গুম হয়ে যাই।
চলো, একটা গাছ হই,
ঢুকে পড়ি ধুতুরার বীজের ভেতর,
ঘাসের ঘুমের মধ্যে

সবুজ মাংসের উষ্ণ আনন্দ আস্বাদ করা যাক।

‘যেতে যেতে কী আমরা হারাই?’
‘আমাদেরকেই’,
ফকির উত্তর দেয়,
‘যা আমরা ছিলাম, যা আমরা চেয়েছি হতে।’
‘যেতে যেতে কী তবে আমরা পাই?’
‘আমাদেরকেই পাই,
যা আমরা হয়েছি আর যা যা হতে চেয়েছি কখনো,
কিংবা হইনি যা যা।’

‘কে গেয়ে উঠছে উদ্গান?’
‘এরা ভোর— পাখির হৃদয়।’

তার দেহ একটি শহর
যার রাত ভাসতে থাকে আলোকচ্ছটায়,
যার আছে অনেক গোপন গলি
যেখানে ঢোকেনি কেউ কোনোদিন,
আছে এক নাচঘর
আর এক তন্বী ব্যালেরিনা;
ঘুমন্ত শহর তার ঘুঙুরের শব্দ শোনে সারারাত;
এ শহরে অনেক অতিথি আসে,
নাচঘরে জেগে থাকে রাত;
সেখানে তাকেই খুঁজে কিংবা না খুঁজেই
নাচ দেখে তারা;
তখন আঁধারটুকু কামনায় ভরে ওঠে ঘরে,
গোপন গলির মধ্যে দমকা বাতাস ওঠে
যেন কারো ঝাঁজাল নিশ্বাস।

৭. মৃতদের ভোজ-উসব


ভোজ-উৎসব শেষে বিনাশী শয্যায়
আঁকড়ে ধরে থাকে তারা
মৃত্যুর শীতল স্তন,
মুখ গুঁজে রাখে তার চুলে,
ঢলে পড়ে মৃত্যুর যোনির উপর,
লেপ্টে থাকে ঊরুসন্ধি জুড়ে;

ঐ দিকে মৃতদের মেট্রোপলিস
এ রাতে শিথানে এসে দাঁড়িয়েছে চাঁদ,
খুঁজছে সে কালো পাখিটিকে।

 

৮. পাখিদের সভা

কালো পাখিটিকে খুঁজে
আমরা পেরিয়ে যাই বাতাসের নদী,
যাই, যেদিকে হয়তো গেছে কালো পাখি
অথবা যায়নি;
যেতে যেতে দেখি,
ক্রমশ সবুজ হচ্ছে সূর্য,
আর তার আলো,
সবুজ আমার ভাবনা,
চোখের আলোর স্রোত,
তেমনি সবুজ স্রোত হয়ে,
ধূলি হয়ে, ঝরাপাতা হয়ে উড়ে,
আমরা পেরিয়ে যাই বাতাসের নদী
কালো পাখি হয়ে।

যেতে যেতে গলে যাই বরফের মতো,
ঘাসের সবুজ চোখ দিয়ে
দেখি, সূর্য থেকে
নামছে সবুজ স্রোত;
ছাতিম ফুলের গন্ধ থেকে
বাইরে উঁকি দিয়ে
দেখি বইছে অর্ধস্ফূট গান, শরতের;
আকন্দ ফুলের ঘুমে স্বপ্ন হয়ে
অনুভব করি শীতকাল।

একটি মুখ পার হয়ে গেলে
লাল ভোরবেলা,
একঝাঁক পায়রা নামছে
গোধূমের খেতে।

 

৯. আগুনপাখি

তার দেহ থেকে
এখানে জন্মেছে একটি গাছ
যার এক ডালে বসেছে আগুনপাখি
সূর্যের গহ্বর থেকে এসে;
পাখির আগুন ডানা,
পাখির আগুন মন,
পাখির আগুন চোখ
দেখছে তোমাকেও;

বোকা লোক দেখেছিল
এ তো নয় হীরামন,
নয় শুকপাখি,
কিংবা আবাবিল
এ পাখির আগুনের ডানা আর আগুনহৃদয়;
হাবা লোক তবু কাছে গিয়ে
পাখিকে উড়িয়ে দেয়, বলে হুস হুস…।

আর সেই আগুনপাখি
ঘুরিয়ে নিজের ঘাড় আমাদের দেখে,
আমরাও দেখি তার নিঃস্ব চোখ,
নিথর গহ্বরে জ্বলছে
বহু শতকের দিন আর রাত্রির ক্রিস্টাল।

 

১০. কালচক্র


যা যা খুব দূরে দূরে,
যা যা আমি হারিয়েছি
কিংবা যা যা কখনো পাব না,
স্বপ্ন তার সীমানা দিয়েছে বেঁধে;
শুধু সেই সীমার ওপার থেকে আসে যত নিগূঢ় ইশারা,
যেন তারা দূরদেশ থেকে আসা আশ্চর্য ড্রাগন ফল;
সেসব ইশারাভাষ্য আমি লিখে রাখি,
যদি লিখি প্রজাপতি,
প্রজাপতি হয়,
যদি রাত লিখি,
অমনি হয় রাত,
আমি তাই লিখি একটি পরিচ্ছেদ
রাতের অক্ষরে।

ট্রেনচালক ট্রেনের ভেতর তার নিজের মৃত্যুকে
বয়ে নিয়ে যায়,
এক হিম স্তব্ধতাকে নিয়ে,
নীরবতার এক টুকরো তুষারকণা নিয়ে
ছুটছে এই কোলাহল দিয়ে গড়া ঘর।
ট্রেন থামে যে স্টেশনে
সেখানে উৎসব চলছে কোনো,
এক নারী গাইছেন,
গানে তিনি অনুবাদ করছেন
চাঁদের নগ্নতাকে।
উৎসব ডিঙিয়ে গিয়ে চাঁদের আলোয়
চোখে পড়ে
মানুষের সাদা সাদা হাড়;
কিছু লোক সটান দাঁড়ানো
যেন কিছু মৃত গাছ
দেখছে চাঁদের নিচে জোছনা সাঁতরে আসে
চতুর শেয়াল,
তারা আসে গন্ধ শুঁকে শুঁকে;
আমি দেখি, কোনো কোনো লোক
কুড়িয়ে মৃতের হাড় জড়ো করছে ঝুড়ির ভেতর,
একটি করে সাদা হাড় ছুঁড়ে দিচ্ছে ঝুড়ির ভেতর।

 

১১. বাজি

সে ঘুমিয়েছে।
ভোরবেলা তার লাল মুখ,
তার রক্তমুখ
এনে গুঁজে রেখেছে বালিতে,
যেমন ঊষর ছিল তার দিন
মাথা গুঁজে রেখেছে যেখানে বহুকাল
সেসব ঊষর ধূলি স্নিগ্ধ ছিল কোনোদিন।

তবু আজ সাধারণ একটি দিন,
মনে হলো, সাদা একটি পৃষ্ঠা শোকবইয়ের,
কিছু লেখা নেই,
ভিজে উঠল হঠাৎ বৃষ্টিতে,
রক্তমুখ ধুয়ে গেল,
দীর্ঘক্ষণ চিৎকার করেছে যে লাল,
ধুয়ে গেল।
হঠাৎ নির্ভার হলো মৃত্যু,
যা ছিল একটি দৃশ্য
উড়ে গেল পায়রার মতো,
একটি সবুজ পায়রা
মুর্দাফরাশের মাথার উপর দিয়ে উৎফুল্ল বাতাসে।

মৃত্যু এক বদ্ধ উন্মাদ,
দিনের পৃষ্ঠায় আঁকা হিজিবিজি তার দিনলিপি;
মৃত্যু এক পুষ্পচোর
যে কেবল রাত সঙ্গে নিয়ে আসে,
মৃত্যু এক নীরব ভিখারী
কড়া নাড়ে এসে পড়শির দরজায়;
সে এক স্বচ্ছ লেভিয়াথন,
আঁধারে উড়তে থাকা ডানা;
মৃত্যু আগুনপাখি,
কখনো মরে না।

উৎসবের রাত বাড়লে
প্রাঙ্গনে রঙিন আলো ঘিরে
নীরবতা যেই নামে
হঠাৎ দরজা খুলে আসে মৃত্যু,
আসে একটি রাত
আমাদের ক্লান্তির ভেতর,
নীরবতার ভেতর
পাশ ফিরে তাকাবার নিঃসীম মুহূর্তে
এসে হানা দেয়,
যেন কেড়ে নিতে চায় কিছু,
জিতে নিতে চায় তার বাজি।

Comments

comments

রায়হান রাইন

রায়হান রাইন

জন্ম: ১৯৭১ সালের ৮ মার্চ, সিরাজগঞ্জ। অধ্যয়ন: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর, দর্শন বিষয়ে। পেশা: শিক্ষকতা, সহযোগী অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ: আকাশের কৃপাপ্রার্থী তরু, পাতানো মায়ের পাহাড়, স্বপ্নের আমি ও অন্যরা, কবিতা: তুমি ও সবুজ ঘোড়া। উপন্যাস: আগুন ও ছায়া। সম্পাদনা: বাংলার ধর্ম ও দর্শন। অনুবাদ: মনসুর আল-হাল্লাজের কিতাব আল-তাওয়াসিন, পাবলো নেরুদার প্রশ্নপুস্তক। আগুন ও ছায়া উপন্যাসটি প্রথম আলো বর্ষসেরা বই-১৪২০ পুরস্কার লাভ করে। প্রোফাইল ছবির পেন্সিল স্কেচ: মাসুক হেলাল

লেখকের অন্যান্য পোস্ট

লেখকের সোশাল লিংকস:
Facebook

Tags: , , , ,

লেখকের অন্যান্য পোস্ট :

সাম্প্রতিক পোষ্ট

লেখকসূচি