সাম্প্রতিক

ভাগাড় । অঞ্জন আচার্য

ইঁদুরটা ঘরের কোথায় যে মরে গন্ধ ছড়াচ্ছে, সেটা মাধবী দুদিনেও বের করতে পারছে না। প্রতিদিনের মতো ডলি ঘর ঝাড়মোছ করতে এলে তাকে বলেন, দেখ তো, ওটা কোথা থেকে গন্ধ ছড়াচ্ছে, আর যে টেকা যাচ্ছে না।

ডলি এঘর খোঁজে, ওঘর খোঁজেও গন্ধটার হদিস পায় না। একবার মনে হয় এখানে থেকে আসছে, আরেকবার মনে হয় ওখান থেকে আসছে। টর্চলাইট জ্বালিয়ে প্রতিটি খাটের তলা, ঘরের কোনা তন্নতন্ন করে খোঁজে ডলি। মাধবীও তার সঙ্গে হাত লাগায়। হারিয়ে যাওয়া টাকা হঠাৎ খুঁজে পাওয়ার আনন্দে ডলি চিৎকার করে ওঠে, খালাম্মা, পাইছি। এই দেহেন।

বইয়ের র‌্যাকের পেছনের এক কোণায় ছোট্ট একটা বাচ্চা ইঁদুর গলে পড়ে আছে। শলার ঝাড়ুর কাঠি দিয়ে সেটিকে তুলে ধরে ডলি। এরপর একটা পলিথিন ব্যাগে ভরে ওপরটা শক্ত করে গিঁট দেয়। আরেক বাসায় কাজে যাওয়া পথে রাস্তায় কোথাও ফেলে দিয়ে যাবে। ঢাকা শহরে তো আর এখন ডাস্টবিন নেই। যেকোনো পাবলিক জায়গাই এখন ডাস্টবিন।

২.
সিটি কর্পোরেশনের গাড়ির চাপায় নাকি নটরডেম কলেজের এক ছাত্র মারা গেছে। এই নিয়ে তুমুল হট্টগোল চলছে। রাস্তায় অবরোধ করেছে ছাত্রছাত্রীরা। দু-এক জায়গায় গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে। নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনে উত্তাল ঢাকা। শিক্ষার্থীরা মিছিল করছে, প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তায় বসে গেছে। এমনিতে ঢাকায় যানজটের অন্ত নেই। এমন আন্দোলনে রীতিমতো অকেজো হয়ে পড়েছে পুরো শহর। কর্পোরেশনের সেই গাড়িচালককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে কর্পোরেশনের গাড়িচালকেরাও পাল্টা কর্মসূচি দিয়েছে। তারা গাড়ি চালানো বন্ধ রেখেছে। ফলে যা হয় আরকি! এলাকা থেকে আর ময়লা নিতে আসছে না সুইপাররা। ঘরের ময়লার ঝুড়ি উপচে পড়ছে। মাধবীর হয়েছে আরও বিপদ। দুদিন আগেই পাঁচরকমের মাছ এনেছিল শোভন। সেই মাছের আঁশ, এটা-ওটা ঝুড়িতে রাখা। এখন সেখান থেকে গন্ধ ছড়াচ্ছে। ঠিক কদিন আগের ইঁদুর মরাপচার মতো গন্ধ। মনে মনে বুদ্ধি আঁটে, আগামীকালের মধ্যে যদি সুইপার ময়লা নিতে না আসে, তবে রাতের দিকে ময়লাগুলো নিলয়কে দিয়ে বাজারের বড় প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে রাস্তায় ফেলে আসবে। ওতে অন্যের যা হওয়ার হবে। নিজেরা তো বাঁচবে।

৩.
প্রথমেই নিলয়ের স্কুল বন্ধের ঘোষণা আসে। পড়াশোনার ব্যাপারে সে বরাবরই সিরিয়াস। কেউ কেউ এমন থাকেই। ফার্স্ট বেঞ্চে বসার জন্য আকুতির শেষ নেই। নিলয় তাদেরই একজন। সামনেই তার এসএসসি। এমন সময় স্কুল বন্ধ হওয়াটা কিছুতেই মন থেকে মেনে নিতে পারছে না সে। তার জীবনের আদর্শ হচ্ছেন বাবা। চেহারার আদলের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিত্বটাও এইটুকু বয়সেই পেয়ে গেছে সে।

৪.
ছন্দা মা হবে। এতকাল স্বামীকে নিয়ে রাজশাহীতেই থাকত। কিন্তু সেখানে তাকে দেখভাল করার জন্য কেউ নেই। তাই সুজন এসে কয়েক দিন আগে স্ত্রীকে রেখে গেছে ঢাকার মিরপুরের শ্বশুরবাড়িতে। এখন ছয় মাস চলছে। শাশুড়ি মাধবীর কাঁধেই এখন সব দায়িত্ব। ছন্দা শুধু শুয়ে বসে জি-বাংলা ও স্টার জলসা দেখে কাটায়। বৃহস্পতিবার করে শ্বশুরবাড়ি আসে সুজন। আবার ফিরে যায় শনিবার রাতে। সুজনের আসা-যাওয়ার কী হবে, এ নিয়ে চিন্তিত হয়ে ওঠে ছন্দা। তার ওপর রাজশাহীতে সুজন একা একা আছে তার সরকারি কোয়ার্টারে। এই ছন্দাও বাবা অন্তপ্রাণ। এককালে বাবাকে বাঘের চেয়েও বেশি ভয় পেত। ইদানীং কেমন বন্ধু হয়ে গেছেন। ছন্দার কাছেই কেবল বাবা নিজের ব্যক্তিত্বের বাইরে এসে দাঁড়ায়। এটা-ওটা নানা কথা বলেন দুজনে।

৫.
শোভনলাল মজুমদার একসময় সরকারি ভূমি অফিসের বড় অফিসার ছিলেন। আদর্শবান। সরকারি অফিসে নীতি-আদর্শ টিকিয়ে রাখা খুব মুশকিলের ব্যাপার। তারওপর আবার ভূমি অফিস। পাবলিক বলে, সেখানকার চেয়ার-টেবিলও নাকি ঘুষ খায়। শোভন কোন ছাড়! চাইলে বিত্তের পাহাড় বানিয়ে কানাডা পাড়ি দিতে পারতেন অনায়াসে। কিন্তু বিবেকের প্রশ্নে ও ব্যক্তিত্বের দৃঢ়তায় অফিসের শেষ দিন পর্যন্ত নিজেকে পঙ্কিলমুক্ত রাখতে পেরেছেন। অবসরে গেছেন বছর দুই হলো। বাড়িতে বসেই অধিকাংশ সময় কাটছিল তার। কিছুদিন আগে বেসরকারি একটি সফটওয়্যার ফার্মে পার্টটাইম জব নিয়েছেন কনসালট্যান্ট হিসেবে। সময়ও কাটে, ঘরে দুটো পয়সাও আসে। বন্ধুহীন শোভন স্বভাবে সব সময়ই ডিসিপ্লিনড। সবকিছু পরিপাটি দেখতেই ভালোবাসেন, বিশেষ করে রিলেশনশিপ। দেশের এমন খবরে শোভনের শৃঙ্খলায় ছেদ পড়ে। অফিস বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

মানুষের দেহ, সে কি আর পলিথিন বা বাজারের প্লাস্টিকের ব্যাগে ধরে? এর চেয়ে বরং দরজার ফাঁকফোকরগুলো ভালোভাবে আটকে দেওয়া যেতে পারে। সিদ্ধান্ত সেটাই হলো। মাধবী, নিলয়, ছন্দা সবাই মিলে যে যার মতো শোভনের রুদ্ধ দরজাটিকে আরও শক্ত করে বন্ধ করতে হাত লাগায়।

৬.
আর সব বাঙালি নারীর মতোই মাধবীর জীবন। সংসার-সন্তান করেই পার করেছেন এতটা সময়। তরল আবেগ। অল্পতেই হাসিখুশি, কান্নাও তাই। সেই মাধবীর আজকের অস্থিরতা দেখে কে?

তোর বাবার মোবাইলে কেউ একজন একটা ফোন দে না!
দিয়েছি মা, বন্ধ পাচ্ছি। ছন্দা উত্তর দেয়।

মাধবীর উৎকণ্ঠা আরও বেড়ে যায়। হায় ভগবান। কী যে হলো লোকটার! বলেই কান্না জুড়ে দেয় মাধবী।

রাত ১০টার দিকে কলিংবেল বেজে ওঠে। দৌড়ে গিয়ে মাধবী দরাজা খোলেন। ঘরে ঢুকে অবাক হয়ে দাঁড়ান শোভন। ড্রয়িংরুমে নিলয় ও ছন্দা যার যার মতো করে বসা। সবার চোখেই উদ্বেগ। অপেক্ষার প্রহরগোনা দৃষ্টি।

কিছু হয়েছে? কাউকে উদ্দেশ না করেই শোভনের প্রশ্ন।
মাধবীই উত্তর দেন। এত দেরি হলো যে?
একটা মিটিং ছিল। অফিস বন্ধ রাখা হয়েছে। হোম অফিস করতে হবে সবাইকে।
তোমার মোবাইলই-বা বন্ধ কেন?
চার্জ ফুরিয়ে গেছে কখন, টেরই পাইনি।

৭.
দেশে নাকি কী একরকম ভাইরাস ঢুকেছে? আমি কিন্তু ডলিকে কাজে আসতে না করে দিয়েছি। পরিস্থিতি ভালো হলে পরে দেখা যাবে।

খাবার টেবিলে শোভন খুব বেশি একটা কথা বলেন না। মাধবীর কথায় নাক দিয়ে শুধু ‘হুম’ শব্দ করেন। এতে সম্মতি বা অসম্মতি কিছুই বোঝায় না।

৮.
টিভিতে সারা দিন সতর্কবার্তা : ঘরে থাকুন, করোনা থেকে দূরে থাকুন। মাস্ক পরুন, ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান পানিতে ভালো করে হাত ধোন, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলুন। একে একে সব অফিস-আদালত-দোকানপাট সব বন্ধ গেছে। কেউ ভয়ে ঘর থেকে বের হচ্ছে না। চারদিকে কেবল আতঙ্ক! লকডাউনের ঘোষণা আসে। পঙ্গপালের মতো মানুষ বাজারে ভিড় করে। যে যেভাবে পারছে সাধ্যমতো পকেটের সঞ্চয় দিয়ে চাল-ডাল-তেল কিনে ঘরে মজুত করছে। প্রতিটি জেলা লক করে দেওয়া হয়েছে। কেউ ঢুকতেও পারছে না, বেরও হতে পারছে না। টিভির রিপোর্টাররা সর্বাঙ্গ ঢাকা সাদা রঙের ড্রেস পরে ফাঁকা ঢাকার চিত্র দেখাচ্ছে। চীনের ভাইরাস ইতালিতে আঘাত এনেছে। ছারখার করে ফেলেছে সেখানে। প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ মারা যাচ্ছে, যাদের অধিকাংশই প্রবীণ। কোনো ওষুধ নেই। নিরুপায় হয়ে মানুষ কেবল দেখে যাচ্ছে মৃত্যুর মিছিল। সমাধি করারও মাটি মিলছে না। তাই গণকবর দিতে হচ্ছে। আমেরিকা, ফ্রান্স, জার্মান, ব্রাজিল, ভারত কোনো দেশই বাদ পড়ছে না। প্রায় পুরো পৃথিবীর মানচিত্র দখল করে ফেলেছে ভাইরাস। টিভিতে শুধু একটাই নিউজ। ছন্দাও ইদানীং নিউজ দেখে। নিলয়ও বাদ যায় না। বাসার সবাই মিলে একসঙ্গে বসে সারা দিন শুধু খবর আর খবর দেখে সময় কাটায়।

৯.
সপ্তাহ দুই পরের ঘটনা। সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ শোভনের জ্বর আসে। সঙ্গে খুশখুশে কাশি। গলাব্যথা। এমনটায় সবার চেখেমুখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে! ঘরে থাকা প্যারাসিটামল ট্যাবলেট খায়। জ্বর কিছুটা কমে। কাশি থামে না। শোভনও নিজেকে আলাদা ঘরে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখেন। ডাক্তার দেখানোর কোনো উপায় নেই। কোথাও কোনো ডাক্তারও বসছেন না। নিজে নিজেই চিকিৎসা করছেন। মোবাইলে কোনো ডাক্তারকে জিগ্যেস করারও উপায় নেই।

বাবার এই অবস্থা দেখে নিলয় দূরে দূরে থাকে। ছন্দা তো ঘর থেকেই বের হয় না। সুজন কড়া নিষেধ করে দিয়েছে, পেটের বাচ্চার জন্য হলেও নিজেকে নিরাপদে রাখতে হবে। ঘরের ভেতর তাই সে মাস্ক পরে ঘোরে। মাধবী পড়ে উভয়সংকটে। স্বামীর সেবা করতে গিয়ে যদি বাড়িসুদ্ধ জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে, তখন কী হবে? এ ভাবনায় রাতে ঘুমাতে পারেন না।

১০.
একদিন রাতে শোভনের খুব শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। অ্যাজমা তার আগে থেকেই ছিল। এ-কথা ভুলে যায় সবাই। শোভনের ইনহেলারটি দিতেও কেউ এগিয়ে আসে না। বন্ধ দরজার ওপাশ থেকে শুধু একে অপরের সঙ্গে কথা বলে যায়।

নিলয় নিজের ঘরে ফিরে যায়। ছন্দাও। যেন কিছুই করার নেই কারও। মাধবী হতবিহ্বল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে দরজার ওপাশে। কী করবে ভেবে পায় না। সোফার ওপরই ঘুমিয়ে পড়ে। ভোরের দিকে কী মনে করে যেন শোভনকে ডাকে। কোনো সাড়া মেলে না। দরজায় ধাক্কা দেয়, সাড়া মেলে না। নিলয়কে চিৎকার করে ডাকে। হাতুড়ি দিয়ে দরজার লক ভাঙা হয়।

১১.
শোভনের মরদেহটি মেঝেতেই উপুড় হয়ে পড়েছিল। সবাই যার যার মতো করে সংযমের সঙ্গে কান্নাকাটি করে। লোক জানাজানি হলে সে আরেক বিপদ! পুরো বাড়ি লকডাউন করে দেবে। তখন বাঁচার আর উপায় থাকবে না। না খেয়ে সবাইকে মরতে হবে। অগত্যা লাশ যেভাবে ছিল, সেভাবেই পড়ে থাকে দুদিন, দরজা বন্ধ। তিন দিনের দিন লাশপচা উৎকট গন্ধে পুরো ঘর বিষিয়ে ওঠে। এমন গন্ধ অন্য কোনো কিছুর সঙ্গে তুলনা করা চলে না। নাকে কাপড় চাপা দিয়েও সেই গন্ধ আটকানো যায় না। নাক চাপা কাপড় সরলেই নাড়িভুঁড়ি পেঁচিয়ে বমি আসে।

১২.
মানুষের দেহ, সে কি আর পলিথিন বা বাজারের প্লাস্টিকের ব্যাগে ধরে? এর চেয়ে বরং দরজার ফাঁকফোকরগুলো ভালোভাবে আটকে দেওয়া যেতে পারে। সিদ্ধান্ত সেটাই হলো। মাধবী, নিলয়, ছন্দা সবাই মিলে যে যার মতো শোভনের রুদ্ধ দরজাটিকে আরও শক্ত করে বন্ধ করতে হাত লাগায়।

. . .

অঞ্জন আচার্য

জন্ম ময়মনসিংহ শহরের প্রাণকেন্দ্র গাঙ্গিনারপাড়ের অধুনালুপ্ত লালালজে (স্থানীয় ভাষায় যা ‘লাইলিপট্টি’ নামে পরিচিত ছিল)। এখন রাজধানী ঢাকাতেই অস্থায়ী বাস। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর। পেশাগত জীবন শুরু হয় শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় কাজের মধ্য দিয়ে। কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন সম্পাদিত ‘জেন্ডার ও উন্নয়ন কোষ’ গ্রন্থ প্রকল্পে কাজ করেছেন গবেষণা-সহকারী হিসেবে। এরপর পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিমিটেডের ‘ভাষা বিভাগ’-এর দায়িত্বভার পালন করেন। সেখান থেকে বাংলা একাডেমি পরিচালিত ‘বাংলা ভাষার বিবর্তনমূলক অভিধান’ প্রকল্পে গবেষক ও সংকলক হিসেবে কাজ করেছেন। আবার ফিরে আসেন সাংবাদিকতা পেশায়। বার্তা সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন অনলাইন নিউজ পোর্টাল পরিবর্তন-এ। এরপর দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদকীয় বিভাগে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে কাজ করছেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। কবিতাই মূলত তাঁর যাবতীয় স্বপ্ন-বুননের জায়গা। পাশাপাশি বিচরণ করেন গল্প, প্রবন্ধ, ফিচার, সাহিত্য-সমালোচনা, সম্পাদনাসহ সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায়। পড়তে ভালোবাসেন খুব। তাই নেশার তালিকায় সবসময় প্রথম ও প্রধান হিসেবে রাখতে আগ্রহী বইপড়াকে। প্রকাশিত গ্রন্থ : জলের উপর জলছাপ (কাব্যগ্রন্থ, শুদ্ধস্বর প্রকাশনী-২০১০), আবছায়া আলো-অন্ধকারময় নীল (কাব্যগ্রন্থ, বিজয় প্রকাশ-২০১১), রবীন্দ্রনাথ : জীবনে মৃত্যুর ছায়া (গবেষণা-প্রবন্ধ, মূর্ধন্য-২০১১), তুমুল কোলাহলে কুড়াই নৈঃশব্দ্য (কাব্যগ্রন্থ, অনুপ্রাণন প্রকাশন-২০১৪), মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (জীবনীগ্রন্থ, কথাপ্রকাশ-২০১৬)।

লেখকের অন্যান্য পোস্ট

Tags: ,

লেখকের অন্যান্য পোস্ট :

সাম্প্রতিক পোষ্ট